শিরোনাম

স্বাস্থ্যবিমায় দিশা দেখানোর দাবি নিবা বুপার ইয়ং ইন্ডিয়া হেল্থ ইন্স্যুরেন্স

দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক : ভারতে ২০২৬ -২৭ কেন্দ্রীয় বাজেটে গত আর্থিক বছরের তুলনায় ১০ শ২০০০ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিকদের স্বাস্থ্যরক্ষায় তাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক মাপকাঠিতে মোট স্বাস্থ্য ব্যয় জাতীয় স্বাস্থ্য নীতির (২.৫ জি ডি পি) লক্ষ্যের তুলনায় বেশ কম। এমনকি প্রাথমিক যত্ন বা ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিকাঠামো সম্প্রসারণে বাস্তব পরিস্থিতির অনুযায়ী কোন ইতিবাচক ঘোষণা ছিল না। পরিসংখ্যান বলছে স্বাস্থ্যখাতে ২০২১ -২২ সাল থেকে প্রকৃত ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা যেখানে উন্নয়শীল দেশের জন্য ৫-৭ শতাংশ বাজেট নির্ধারণ করতে বলে সেখানে ভারত খরচ করে ১.৮ থেকে ২ শতাংশ।

ভারতে নাগরিকদের স্বাস্থ্যের অধিকার সংবিধান প্রণেতারা মান্যতার না দেওয়ায় মৌলিক অধিকার নয়। আলমা আটা ডিক্লারেশনে ২০০০ সালের মধ্যে রাষ্ট্রকে সেই দায়িত্ব নিতে সিদ্ধান্ত ভারত সই করলেও বাস্তবে তা উপলব্ধ নয়। ফলে রাষ্ট্র বেসরকারি পুঁজিনির্ভর স্বাস্থ্য পরিষেবামূলক সংস্থার মুখাপেক্ষী হয়ে পড়ছে। সরকারি স্বাস্থ্যবিমা সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থায় এই বিমার ব্যবসা শুরু করে নিজেদের মধ্যে এক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে পড়েছে।

সোমবার সকালে মধ্য কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে নিবা বুপার ইয়ং ইন্ডিয়া হেল্থ ইন্স্যুরেন্স সংস্থার তরফে একটি সাংবাদিক সন্মেলনে সংস্থার ডিরেক্টর ডিজিটাল বিজনেস ইউনিট ও চিফ মার্কেটিং অফিসার নিমিশ আগরওয়াল জানালেন, তাঁদের সংস্থার সমীক্ষা । তিনি বলেন, ভারতে ৫১ শতাংশ তরুণ স্বাস্থ্যবিমাকে জীবনের শীর্ষ তিন আর্থিক অগ্রাধিকারের মধ্যে রাখলেও মাত্র ১৪ শতাংশ নিজেদের নামে স্বাস্থ্যবিমা করিয়েছেন। তবে ভারতে স্বাস্থ্য বিমার জাতীয় গড় যেখানে ১৪ শতাংশ, কলকাতার গড় ২১ শতাংশ। স্বাস্থ্য বিমার নির্ধারিত মূল্য জমা না দেওয়ায় বাতিলের গড় ৬; শতাংশ সেখানে কলকাতা মাত্র ২ শতাংশ। অথচ জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় ভারতের সম্ভাব্য গড় খরচের তুলনায় কম , যা ৯৬ হাজার। আবার সমীক্ষায় এও উঠে এসেছে ভারতে স্বাস্থ্য বিমা কেনার আগ্রহ গড় যখন ৫১ শতাংশ সেখানে কলকাতার গড় ৪৩ শতাংশ।

নিমিশ আগরওয়াল আরও বলেন, নিবা বুপা সংস্থা তরুণদের স্বাস্থ্য বিমার ক্ষেত্রে এমন কিছু আকর্ষণীয় প্রকল্প নিয়ে এসেছে যা শুধু সুরক্ষা নয়, সুস্থ জীবনযাত্রা ও নিরাপদ দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি দেয়। সংস্থা এইমুহুর্তে ভারতে প্রায় ১০ হাজার হাসপাতালের সঙ্গে জড়িত। পরিষেবায় দ্রুত নিষ্পত্তির আশ্বাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *