✧

বাংলায় পর্তুগিজ আগ্রাসন আকবরের বদান্যতায়।
এই কেদার রায়ের কয়েকজন কন্যার একজনকে আকবরের সেনাপতি মানসিংহ বিয়ে করেন। বারোভূঁইয়াদের অন্যতম ইশা খানের সঙ্গে সখ্যতা ছিল রাজা কেদার রায় ও চাঁদ রায়ের m কিন্তু সামন্ততন্ত্রে স্থায়ী শত্রুতা বা স্থায়ী বন্ধুত্ব বলে কিছু হয় না। তাই অল্পদিনের মধ্যে এই বন্ধুত্ব শত্রুতায় পরিণত হলো। কারণ চাঁদ রায়ের সুন্দরী বিধবা কন্যা স্বর্ণময়ীর প্রেমে পড়েন ইশা খান। বন্ধুদ্বয়ের কাছে বিয়ের প্রস্তাব রাখেন। কিন্তু স্বভাবিকভাবেই প্রত্যক্ষিত হন। তাই জোর করে ইশা খান স্বর্ণময়ীকে লুঠ করে নিয়ে যান । স্বর্ণময়ীর নতুন নামকরণ হয় সোনাবিবি। সেই থেকে বাংলাদেশের নিজের রাজধানীর নামকরণ করেন সোনারগাঁ। যা ঢাকা শহরের খুব কাছে।

কেদার রাজার এক কন্যাকে বিয়ে করেন আকবর সেনাপতি মানসিংহ।
কথিত আছে , স্বর্ণময়ীকে ইশা খানের হাতে তুলে দেন কেদার রাজার কুলগুরু শ্রীমন্ত ভট্টাচার্য ( খাঁ)। কারণ কিছুদিন আগে কেদার ও চাঁদ রায় শ্রীমন্তের বদলে অন্যই একজনকে কুলগুরুর পদে অভিষিক্ত করেন। তারই প্রতিহিংসায় এই সিদ্ধান্ত। এই ঘটনার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শোকাহত চাঁদ রায় মারা যান। কেদার রায় এর আগেই বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতায় ইশা খানের অনেক অঞ্চল দখল করে নেন। ভাইয়ের শোকে কেদার রাজা কিছুদিনের জন্য রাজকর্যের ভার তুলে দেন মন্ত্রী রঘুনন্দন চৌধুরীর হাতে। (চলবে)

কথিত আছে , স্বর্ণময়ীকে ইশা খানের হাতে তুলে দেন কেদার রাজার কুলগুরু শ্রীমন্ত ভট্টাচার্য ( খাঁ)। কারণ কিছুদিন আগে কেদার ও চাঁদ রায় শ্রীমন্তের বদলে অন্যই একজনকে কুলগুরুর পদে অভিষিক্ত করেন। তারই প্রতিহিংসায় এই সিদ্ধান্ত। এই ঘটনার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শোকাহত চাঁদ রায় মারা যান। কেদার রায় এর আগেই বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতায় ইশা খানের অনেক অঞ্চল দখল করে নেন। ভাইয়ের শোকে কেদার রাজা কিছুদিনের জন্য রাজকর্যের ভার তুলে দেন মন্ত্রী রঘুনন্দন চৌধুরীর হাতে। (চলবে)
পরবর্তী পর্ব রবিবার ২৭ এপ্রিল ,২০২৬

