*

দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক: ৭০ এর দশকে পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় মৃণাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে আরতি মুখোপাধ্যায়ের গাওয়াএকটি গান ছিল , এই ছোট্ট ছোট্ট পায়ে চলতে চলতে ঠিক পৌঁছে যাবো,,,,। ছবির নাম ছিল হীরে মানিক। ক্লাস থ্রি’র ছাত্রী ধীমহী হয়ত তেমনই স্বপ্ন নিয়ে মাত্র ন বছর বয়সেই জীবনের প্রথম গানের এলবাম প্রকাশ করল হও খুশি খুশি। ধীমহীর গান শ্রোতাদের কতটা খুশি করবে সেটা ক্রমশ প্রকাশ্য।
শনিবার প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এঞ্জেল ডিজিটালের নিবেদন ধীমহী’র একটি গানের এলবাম খুশি খুশী হও প্রকাশ হলো। এঞ্জেল ডিজিটাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হলো গানটি ইউটিউবে প্রকাশের দুঘণ্টার মধ্যে প্রায় দু হাজার সঙ্গীতপ্রেমী ছোট্টশিল্পী ধীমহীর গান শুনে লাইক দিয়েছে।
ধীমহী’র এটি প্রথম এলবাম। গানের আগ্রহে প্রথমে মায়ের কাছেই তালিম। তারপর পণ্ডিত শুভদীপ মুখার্জির কাছে নাড়া বাঁধা। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের তালিম। গানটির প্রাকৃতিক পরিবেশে দৃশ্যায়নও ছোট বড় সকলেরই হৃদয় ছোঁবে। সংগীতায়োজনেও মুন্সিয়ানার ছাপ রেখেছেন টিনটিন।গীতিকার মোনালিসা ঝা ও সুরকার শুভদীপ মুখার্জির সহজ সুন্দর সুরে সাবলীলতার পরিচয় দিয়েছে ধীমহী। খালি গলায় সুর তাল লয় বজায় রাখল বিভিন্ন স্কেলে গান শুনিয়ে।

যদিও গানটি সে রেকর্ড করেছে বি স্কেলে। বি স্কেলে ছোটদের গাওয়ার বাড়তি কিচ্ছু সুবিধা আছে। আবেগধর্মী গানে একটি স্বচ্ছ মেলোডি অনুভূত হয়। গলায় উদারায় যেমন স্বরচ্যুতির আশঙ্কা থাকে কম, তেমনই তারার স্বরে গলায় চাপ পড়ে কম। সঙ্গীত পরিচালক শিক্ষার্থী শিশুশিল্পীর ক্ষেত্রে সঠিক স্কেল নির্বাচন করেছেন। খালি গলায় অন্য কয়েকটি স্কেলে গানটি গেয়ে ধীমহী প্রমাণ করেছে ছোট্ট ছোট্ট পায়ে সে পৌঁছে যাবে তাঁর সাফল্যের লক্ষ্যে। তবে অভিভাবকদের মনে রাখা দরকার, এই অ্যালবাম যেন ধীমহী’র আত্মবিশ্বাসের সহায়ক হয়। বাজারি অর্থনীতির ফাঁদে ইঁদুর দৌড়ে যেন সামিল না হয়। বহু প্রতিভা কিন্তু এই মরীচিকায় হারিয়ে গিয়েছে।
