পর্ব:২৬২

উইলিয়াম ওয়ার্ড।
সুজিৎ চট্টোপাধ্যায় : গুরুতপ্রসাদী প্রথা রদ হয় নাকি এই গুরুদেবকে পেটানোর পর। তবে পুরোপুরি যে এতদিনের প্রথা একেবারে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এমন বিশ্বাস করা মুশকিল। ধর্মের আবরণে ১৯ শতকের গোড়ায় বঙ্গসমাজে যে কদাচারের বন্যা বয়ে গিয়েছিল, তার একটি বাস্তব লেখনী চিত্র এঁকেছেন শ্রীরামপুর মিশনারীদের অন্যতম উইলিয়াম ওয়ার্ড তাঁরা জীবনকাল ছিল ১৭৬৯ থেকে ১৮২৩।

উইলিয়াম ওয়ার্ডের লেখা এ ভিউ অব দি হিস্ট,লিটারেচার অ্যান্ড মাইথোলজি অব দি হিন্দুজ, শ্রীরামপুর ১৮১৮ গ্রন্থে। ওয়ার্ড সাহেবের বর্ণনায় কিয়দংশ উদ্ধৃত হয়েছে ড: রমেশচন্দ্র মজুমদারের বাংলাদেশের ইতিহাস গ্রন্থে। ভারত বিভাগের পরে উদ্বাস্তু মহিলাদের মধ্যে কেউ কেউ নিদারুণ দারিদ্র্যের কারণে অর্থের বিনিময়ে দেহ বিক্রির পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়।

পাল রাজাদের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল
এই দেশে বৌদ্ধধর্মের প্রভাব ছিল প্রগাঢ়। উচ্চবর্ণের নিপীড়ন আর ঘৃণায় সমাজের নিচুতলার মানুষদের এক বর অংশে পরবর্তীকালে মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। তাছাড়া ভারতের উন্নয়ন অঞ্চলের ধর্মকার্যে অধিকার বঞ্চিত হয় নিচু তলার মহিলা পুরুষদের আরেকটি অংশে বৌদ্ধধর্মে আশ্রয় নেন। বৌদ্ধ পাল রাজাদের আমলে রাজনৈতিক ক্ষমতার জন্য বৌদ্ধ ধর্ম প্রভাব বিস্তার করেছিল।বৌদ্ধযুগের শেষদিকে সহজিয়াবাদের প্রভাবে তান্ত্রিক রীতিনীতির অনুপ্রবেশে আবার কিছুর অনাচার দেখা দেয়।( চলবে)
