বেশ্যার বারমাস্যা

পর্ব:২০২

পুরুষের যৌন আগ্রাসনে বিরুদ্ধে নারী সমকাম এক প্রতিবাদ।

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায় : জীবন যদি ফুল হয়, ভালোবাসা সেই ফুলের মধু। কথাটি বলেছিলেন ভিক্টর হুগো কথাটি কিন্তু আজও প্রাসঙ্গিক। হয়ত নারী পুরুষ, পুরুষ পুরুষ, নারীনারীতে প্রেম আদিতেও ছিল, বর্তমানে আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে । কিন্তু পুরুষশাসিত সমাজব্যবস্থায় পুরুষ যেহেতু শারীরিক শক্তিতে এগিয়ে, তাই শরীরী চাহিদায় পুরুষ যেন একটু বেশি আগ্রাসী। সেই জন্য যৌন ইচ্ছা কখন যে যৌন অপরাধে বদলে নারীর কাছে যৌন নির্যাতন হয়ে দাঁড়ায় ,পুরুষ সমাজ যেন বুঝেও বুঝতে চায় না।

গ্রীক দেবতা ইরোস।

সমাজবদ্ধ জীবনে নারী- পুরুষের সমানাধিকারের তত্ত্ব আওড়ালেও সর্বত্রই নারী শরীরের প্রতি কর্তৃত্বের ঝোঁক পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। আর্থ সামাজিক পরিস্থিতিতে নারীর ‘লজ্জাই ভূষণ’ এমন একটা ধারণা ধর্মে ও সমাজে সুকৌশলে প্রয়োগ করে নারী শরীরের অধিকার পুরুষের হাতেই তুলে দেওয়া হয়। অধিকাংশ মেয়েরা পুরুষের এই আগ্রাসন মেনে নিতে না পারলেও আর্থিক পরাধীনতার জন্য মেনে নিতে বাধ্য হয়। তবে তাঁদের অবদমিত যৌনাকাঙ্ক্ষা তাঁরা মেটাতে সমকামিতায়।

গ্রীক পুরাণে রয়েছে দেবতা আফ্রোদিতি পুত্র ইরোসের কথা। ইরোস মানবীর বা দেবীদের বুক লক্ষ্য করে কামবাণ নিক্ষেপ করত। সম্মোহিত নারী বা দেবী ইরোসের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ত। পুরুষের নারীর বুক আকর্ষণ করত বহু যুগু আগে থেকেই। একটা সময় ছিল মানবীর স্তনদুগ্ধ বিক্রি হতো হাটে – বাজারে। ডক্টর বেউর তাঁর লেখায় বলেছেন, পার্সিয়ায় নারী দুগ্ধ বিক্রি হতো বাজারে অন্যান্য খাদ্যপণ্যের মতোই।,,,,,বিক্রির সময় নারী তাঁর স্তনে চাপ দিয়ে পেয়ালায় দুধ ভরে দিত।,,,,,, অতীতে চীনারা ত্রীর সঙ্গে কয়েকজন নারী পুষত গরুর মত। স্তনের দুধের জন্য। জাপানের বয়স্ক পুরুষেরা সরাসরি নারীর স্তন চুষে দুধ পান করত। জার্মানিতেও তাই। শুধু দুধ নয, নারীর বক্ষ সৌন্দর্যও পুরুষকে যৌন উদ্দীপ্ত করে তোলে। কাব্যেও যা উল্লেখিত হয়েছে। আমাদের দেশে সংস্কৃতির ভাষায় স্তনের বহু নাম।কুচ,উরোজ,উর্সিজ, উরোভব,পয়োধর বক্ষজা ইত্যাদি।ইত্যাদি। (চলবে)

পরবর্তী পর্ব আগামী সোমবার ৩০ মার্চ,২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *