বেশ্যার বারমাস্যা

পর্ব ২০১

ডেনমার্কে পর্ণো ছবি ও বই আইনি স্বীকৃতি আছে।

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায়: মেডিকো লিগ্যাল সার্ভিস জানিয়েছিল মনস্তত্ত্বে বিশেষ করে শিশু মনস্তত্ত্বের ভিত্তিতে একথা কিছুতেই বলা চলে না যে মানুষের বি মানসিক বিকাশ বা যৌনতা এবং নৈতিকতার প্রতি। তার মনোভাব নির্ধারণ করে পর্ণোগ্রাফিক বই ছবি বা ফিল্ম। যেখানে বিকৃত যৌনতা দেখানো হচ্ছে সে সম্পর্কেও একথা খাটে।

ডেনমার্কে ব্লু ছবির পোস্টার

কমিটির এই সিদ্ধান্তে ১৯৬৭ সালে ডেনমার্কের পার্লামেন্ট পর্ণোগ্রাফিকে আইনি স্বীকৃতি দেয়। এখন শুধু শিশুদের নিয়ে কোনো পর্ণোগ্রাফি ছাড়া যেকোন ধরনের পর্ণোগ্রাফি তৈরি করা, বিক্রি করা এবং দেখানো চলে। তবে দর্শকের বয়স হতে হবে ১৬ বছরের ঊর্ধ্বে।

সুইডেনে ব্লু ফিল্মের পোস্টার।

অবশ্য যাঁরা চান না তাঁদের বিরক্ত করা যাবে না প্রকাশ্যে পর্ণো ছবি টাঙিয়ে। কিছুদিনের মধ্যে সুইডেন ও পশ্চিম জার্মানিতে পর্ণোগ্রাফি আইনি স্বীকৃতি পেয়ে যায়। ডেনমার্কের মেডিকো লিগ্যাল সার্ভিসের যুক্তি, গণ মাধ্যমে পর্ণোগ্রাফি পড়লে বা দেখলে মানুষের আচরণে কোনো খারাপ প্রভাব পড়ে এমন কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য নেই।

আমেরিকায় পর্ণো ছবি স্বীকৃত হলেও জনবিক্ষোভ রয়েছে।

১৯৭০ সালে আমেরিকান কমিশন অন অবসিনিটি এ্যান্ড পর্ণোগ্রাফি কিন্তু একই রায় দিল।৩৯ টি গবেষণার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে তাঁরা সহমত হন। গবেষণায় দেখা গেছে , যাঁরা বারবার যৌন অপরাধ করে দেখা গেছে তাদের পরিবার অতিমাত্রায় রক্ষনশীল এবং সেই অপরাধীরা নিজেরা যৌনতার ক্ষেত্রে খুবই রক্ষণশীল। তাদের নিজেদের যৌন জীবন ঠিকমত বিকশিত হয়নি।১৯৭৯ সালে ব্রিটেনের উইলিয়ামস কমিটি এই একই কথা জানায়। ফলে পর্ণোগ্রাফি ও ধর্ষণ সম্পর্কে আগ্রহ বেড়ে যায়। (চলবে)

পরবর্তী পর্ব আগামী শুক্রবার ২৭ মার্চ,২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *