শিরোনাম

বেশ্যার বারমাস্যা

পর্ব:২৩৯

একাদশ শতকে বাংলার বারাঙ্গনা।

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায় : সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও রমলাদেবী লেখকদ্বয় তাঁদের ভারতীয় সমাজে প্রান্তবাসিনী গ্রন্থে বৈদিক যুগ থেকে এদেশের বারাঙ্গনাদের নিয়ে গবেষণামূলক তথ্য পরিবেশন করে এক মহৎ কাজ সমাপন করেছেন। আমরা অন্যান্য গ্রন্থ সহ এই গ্রন্থের তথ্য ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করছি।

বাংলার প্রাচীন সমাজ।

লেখকদ্বয় লিখেছেন, সুরিক্ষাকে বলা হয়েছে নটী, বেউশ্যা। শুধু নিচশ্রেণীর লোক যে তার প্রতি আসক্ত তা নয়।; তার নিজের ভাষায় অধ্যাপক পণ্ডিত সকল মোর বশ। বেউশ্যাকে বেড়্যা বস্যানাগর সকল এর কথা লিখেছেন ঘনরাম। সমাগত ব্যক্তিদের কাছে ধাঁধা তুলে ধরা বারাঙ্গনাদের রেওয়াজ ছিল: প্রহেলিকা বোলে দাসী সেন ( অর্থাৎ লাউসেন) বিদ্যমানে।

নলিনী ভট্টশালী।

লেখকদ্বয় লিখেছেন, গোপীচন্দ্রের গানের রচনাকাল বিতর্কিত। প্রয়াত দীনেশ সেনের মতকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন রচনাকাল একাদশ শতক। কিন্তু প্রয়াত নলিনী ভট্টশালী প্রমুখ পণ্ডিতেরা এমত স্বীকার করেননি। অনেকের মতে , এই গ্রন্থে বর্ণিত সামাজিক অবস্থা উনিশ শতকের উত্তরবঙ্গের আঞ্চলিক মুসলমান সমাজ সম্বন্ধে প্রযোজ্য। (চলবে)

পরবর্তী পর্ব আগামী সোমবার ৩ অগাস্ট,২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *