*

দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক : মহাভারতে সঞ্জয় কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের ধারাবিবরণী দিয়েছেন শুনেছেন অন্ধ রাজা ধৃতরাষ্ট্র। হিন্দুস্থান ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে দা গ্লাস হাফ ফুল অনুষ্ঠানে উদ্যোগপতি সঞ্জয় বুধিয়া বললেন । শুনলেন দুই ব্যবসায়ী অরবিন্দ দাগা ও তপন গাও দিয়া। দর্শক আসনে ক্লাবের সদস্যরা। শতাব্দীর দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়া হিন্দুস্থান ক্লাব আয়োজিত এক অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ ও অনুপ্রেরণামূলক অনুষ্ঠান । যেখানে এক সফল উদ্যোগপতি প্যাটন গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জয় বুধিয়া জানাবেন তাঁর জিরো থেকে হিরো হওয়ার ইতিহাস।
অনুষ্ঠান শুরু হলো যথাযথভাবেই। দর্শকের আসনে হিন্দুস্থান ক্লাবের বিশিষ্ট সদস্যরা। প্রত্যেকের কৌতূহল সঞ্জয় বুধিয়ার জীবনের সাফল্যের বেয়ে চলা পথের অভিজ্ঞতা শোনা। সঞ্জয় বুধিয়া জানালেন, রাজস্থান তাঁর জন্মক্ষেত্র। কর্মক্ষেত্র বাংলা। তাই বাংলা ভাষা ও বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে তিনি একাত্ম বোধ করেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয় সাফল্যের পথে তিনি প্রতিবন্ধকতা কীভাবে জয়ের করেছেন? সঞ্জয় বাবু জানালেন মাটির কাছাকাছি থেকে বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যে আছে সাফল্যের বীজ। তিনি এও বলেন, হিন্দুস্থান ক্লাবে এসে এই ধরনের অনুষ্ঠানে হাজির হওয়া তো নিজের ঘরেই আপনজনের সঙ্গে সুন্দর কিছু সময় কাটানো। নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য হিন্দুস্থান ক্লাবকে ধন্যবাদ ।
একজন কৃতি ব্যক্তি হিসেবে সঞ্জয় বুধিয়া অনেক কিছুই বললেন যা উদ্যোগপতিদের কাছে যথেষ্ট মূল্যবান। কিন্তু দুই সঞ্চালক ইন্ডিয়ার উদ্যোগপতিদের ইচ্ছাপূরণ করেন ব্রাত্য থেকে যায় ভারতের প্রকৃত আর্থিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশ্নের তালিকা। এক কথায় বলা যায় সেই রামপ্রসাদি গানের কথায় সাধ না মিটিল বি, আশা না পুরিল।
