*

দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক: কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে তিনদিনব্যাপী এড়ু ফেয়ার অনুষ্ঠিত হলো। প্রায় শতাধিক বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্টল থেকে বিভিন্ন কর্মসংস্থানের উপযোগী পাঠক্রমের হদিশ তুলের ধরা হয়। শিক্ষাবিদ , শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ছাত্র, অভিভাবক শিল্পপতিদের পারস্পরিক যোগসূত্র গড়ে তোলার উদ্দেশ্যই এই মেলার লক্ষ্য। শনিবার সকালে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু প্রদীপ উজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে। আমন্ত্রিত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ছিলেন বিধায়ক সজল ঘোষ, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্নিধার্টহরিরাম আগরওয়াল, মণীশ রায়চৌধুরী, তারাজিৎ সিং, শমিত রায়, সত্যম রায়চৌধুরী, অনীশ চক্রবর্তী, অলক টিব্রেয়াল প্রমুখ।

এদিন বিভিন্ন বক্তারা বাংলার মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের কর্মসংস্থানের দিশা দেখানোর যে বৃত্তি মূলক শিক্ষার ব্যবস্থা আছে শহর ছাড়িয়ে প্রান্তিক অঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছে যাওয়ার সংকল্প ঘোষণা করেন। বাংলার নবগঠিত রাজ্য সরকারের কাছে সহযোগিতার আশা করা হয়। বাংলার শিক্ষার মান ভারতসেরা করে তোলার প্রয়াসে নেওয়ার ঘোষণাও করা হয়। একসময়ের ছাত্রনেতা সজল ঘোষ জানান নবর নির্বাসিত সরকার সিলেবাসের আমূল পরিবর্তন করবে ইতিহাসের নামে সিঙ্গুর আন্দোলনে পার্থ চ্যাটার্জি , মমতা ব্যানার্জির মহান ভূমিকা নিয়ে যেত বিক্রিতে ইতিহাস রাখা হয়েছে সেসব বড় পর্বের।বাদ পড়বে মোঘল নৃপতিদের মহান দেখানোর ইতিহাস।
