বেশ্যার বারমাস্যা

বাংলার খ্যাতির কথা লিখে গেছেন পর্যটক ইবন বতুতা।

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায় : বাংলার খ্যাতির অন্যতম কারণ সমুদ্রপথে বৈদেশিক বাণিজ্য। বৈদেশিক পর্যটকবার্থেমা লিখেছেন- তুলো, আদা, চিনি শস্য ও সর্বপ্রকার মাংসে বঙ্গদেশ পৃথিবীতে সর্বাধিক সমৃদ্ধ। আরও প্রায় দুশো বছর আগে আফ্রিকাবাসী পর্যটক ইবন বতুতা ( ভারতে আসেন ১৩৩৩) লিখেছেন যে, তিনি এমন দেশটি কোথাও দেখেননি যেখানে দ্রব্যমূল্য বঙ্গদেশ অপেক্ষা কম।

মধ্যযুগে বাংলার গণিকা ছিল মূলত নগরকেন্দ্রিক।

বারাঙ্গনা বৃদ্ধির উদ্ভব। তীর্থস্থানে ও শহরেই হয়েছিল বলে মনে করা হয়। কালক্রমে গ্রামেও এই বৃত্তি শুরু হয়। তবে গ্রামের বারাঙ্গনারা অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের। গ্রামে ভ্রষ্ঠা নারীর অবশ্য অভাব ছিল না। দারিদ্র্যক্লিষ্ট কিছু কুলবধু বা যৌনক্ষুধাপীড়িত তরুণী গ্রামের প্রভাবশালী বা ধনী ব্যক্তিদের বা ধনীর দুলালদের উপভোগ্যা হ’ত।

বারাঙ্গনা বৃদ্ধির উদ্ভব। তীর্থস্থানে ও শহরেই হয়েছিল বলে মনে করা হয়। কালক্রমে গ্রামেও এই বৃত্তি শুরু হয়। তবে গ্রামের বারাঙ্গনারা অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের। গ্রামে ভ্রষ্ঠা নারীর অবশ্য অভাব ছিল না। দারিদ্র্যক্লিষ্ট কিছু কুলবধু বা যৌনক্ষুধাপীড়িত তরুণী গ্রামের প্রভাবশালী বা ধনী ব্যক্তিদের বা ধনীর দুলালদের উপভোগ্যা হ’ত।

প্রাচীন শাস্ত্রের অনুসরণে বঙ্গীয় পণ্ডিতেরা স্ট্রাইডির মর্যাদা,অধিকার ইত্যাদি বিষয়ে স্বীকৃতির দেন। এই দেশের ধর্মচর্চা ও আইনকানুনের ব্যাপারে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ হ’ প্রাচীন শাস্ত্র মেনে করা হ’ত। (চলবে)

পরবর্তী পর্বআগামী শুক্রবার ১৯ জুন,২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *