শিরোনাম

হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতির উদ্যোগে জাতীয়তাবাদী সম্মেলন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চে

*

দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক: জাতীয়তাবাদী দক্ষিণপন্থী রাজনীতিতে বিশ্বাসী স্বল্প সময়ের জন্য হলেও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রাক্তন ছাত্রনেতা সোমদেব ব্যানার্জির উদ্যোগে গড়ে উঠেছিল হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতি। কিন্তু ব্যক্তি প্রচারবিমুখ মানুষটি জাতীয়তাবাদী আদর্শে কাজ করেন ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিধির ভিতর ত্রিগুণা সেন মঞ্চে আয়োজিত এই জাতীয়তাবাদী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভা সাংসদ রাহুল সিনহা সুখেন্দুশেখর রায়, বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। সভানেত্রী ছিলেন মহুয়া ধর। ছিলেন প্রয়াত হরিপদ ভারতীর ভ্রাতুষ্পুত্র । বক্তাদের অন্যতম রাহুল সিনহা বা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এবং সদ্য গান্ধীবাদী তকমা ছেড়ে সাভারকরবাদী হয়ে ওঠা সুখেন্দুবাবু যাঁর স্মৃতিতে অনুষ্ঠান সেই প্রয়াত হরিপদ ভারতীর জাতীয়তাবাদী চেতনার কথা উল্লেখ করলেন না। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ঋষি অরবিন্দ বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবি তোলা হলো। বামপন্থী

মাত্র ৬১ বছর বয়সে ১৯৮২ দলে প্রয়াত এই শিক্ষক নেতার মৃত্যুতে তৎকালীন রাজ্যের বামপন্থী নেতা স্পিকার সৈয়দ আবুল মনসুর হাবিবুল্লাহ বলেছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সুবক্তা ও সংসদীয় গণতন্ত্রের অভিজ্ঞ এই জননেতার মৃত্যুতে দেশের প্রভূত ক্ষতি হলো। জরুরি অবস্থায় প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দী হরিপদ ভারতী গোপনে স্ত্রী প্রগতি ভারতীকে গোপনে লেখা চিঠি সম্পাদনা করে বিখ্যাত প্রবন্ধ লেখেন জেলে মিসা বাইরে মিসা।

এই সম্পর্কে আলোকপাত করলে নতুন প্রজন্ম এক নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারত। যদিও একটি দুর্বল তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হলো বটে কিন্তু তথ্যচিত্রে অযত্নের ছাপ স্পষ্ট। হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতির সভাপতি সোমদেব ব্যানার্জি অবশ্য জানালেন, পরিকল্পনা আছে পূববাংলার ভূমিপুত্র এই শিক্ষকনেতার স্মৃতিতে কিছু গঠনমূলক কাজ করার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেনঅশোক সিনহা এবং ড: অলি ব্যানার্জি।অভ্যর্থনায় ছিলেন সুবীর রায়চৌধুরী।

ইতিমধ্যে সূত্রের খবর,যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরের ভেতর স্মৃতিরক্ষার নামে জাতীয়তাবাদী সম্মেলন করে এক রাজনৈতিক সম্মেলন করার বিরুদ্ধে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছিলেন কেউ কথা রাখে নি। এদিনের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে উপস্থিত থাকার ঘোষণা ছিল আসবেন শমীক ভট্টাচার্য, স্বপন দাশগুপ্ত, জিষ্ণু বসু , তাপস রায়, শশী অগ্নিহোত্রী প্রমুখের। কিন্তু কোন কারণে আসতে পারেননি তাঁরা। কমপক্ষে একটি অডিও বার্তাও দেওয়া যেত। কিন্তু দর্শকরা বঞ্চিত হলেন প্রয়াত শিক্ষকনেতা সম্পর্কে তাঁদের পর্যালোচনা থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *