
দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক: রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন,এ ধূসর জীবনের গোধূলি, ক্ষীণ তার উদাসীন স্মৃতি, মুছে আসা সেই ম্লান ছবিতে রং দেয় গুঞ্জনগীতি। পাবলো পিকাসো বলেছিলেন, রং মুখের গড়নের মতোই, আবেগের পরিবর্তনকে অনুসরণ করে। বিখ্যাত রুশ চিত্রশিল্পী ও বিশেষজ্ঞ ওয়াসিলি ক্যান্ডিনোস্কি বলেছেন, রং এক মানসিক মানসিক স্পন্দন জাগিয়ে তোলে। রঙের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক অজানা কিন্তু বাস্তব শক্তি, যা মানবদেহের প্রতিটি অংশে ক্রিয়া করে।আধুনিক বিজ্ঞানও মনস্তাত্বিক ও শারীরিক প্রভাবে রঙের কার্যকারিতা স্বীকার করে।

বিশ্বের প্রাচীনতম রঙের সওদাগর সংস্থা ওল্ড হল্যান্ড।১৬৬৪; সালে। চিত্রশিল্পীদের প্রয়োজনে তেলরং নির্মাণ শুরু করে।১৮৭০ এ আমেরিকায় আধুনিক বানিজ্যিক রং নির্মাণ শুরু। শালিমার পেইন্টস দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় এই কলকাতায় প্রথম রঙের কারখানা গড়ে তোলে হাওড়ায়। এরপর কেটেছে কয়েক যুগ। ৭০ বছরআগে কলকাতায় গড়ে ওঠে ইন্ডিয়ান স্মল এসকেডিএলআর পেইন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পূর্বাঞ্চলীয় শাখা।২১ তম বার্ষিক আঞ্চলিক সাধারণ সভার আয়োজন হয় পূর্ব কলকাতার পাঁচতারা হোটেলে। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নীতি নির্ধারণ শিল্প সংক্রান্ত পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ক্ষুদ্র ছোট ও মাঝারি শিল্পের ( এম এস এম ই) ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে আমন্ত্রিত ছিলেন রাজ্যের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় ওর পূর্তমন্ত্রী অজয় কুমার পোদ্দার।

সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন রুংটা বলেন, শিল্প পরিষেবা প্রদানের ৭০ বছর পূর্তিতে নব প্রযুক্তি গ্রহণ, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও সুদৃঢ় অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এম এস এম ই অভিযানকে অগ্রাধিকার দিতে পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন আমাদের লক্ষ্য। এই মুহূর্তে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব রং শিল্পে কীভাবে পড়ছে , সেই বিষয়ে আলোচনা করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আমন লুনা এবং সম্পাদক বিশাল গোলছা।ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন কোষাধ্যক্ষ গুঞ্জন শাহ।
