পর্ব:২৩৬

আওরঙ্গজেবের নাতি আজিম- উশ -শান।
সুজিৎ চট্টোপাধ্যায়: আওরঙ্গজেবের নাতি আজিম খানের ছিল চার বেগম। এঁদের মধ্যে দুজন হিন্দু। আওরঙ্গজেবের মৃত্যু হলে দিল্লিতে দ্রুত এসে সম্রাট হন আজম- উল -শান। সম্রাট হওয়ার চেষ্টা করেন । কিন্তু খুন হয়ে যান।। তাঁর দেহ মেলে নদীতে। বয়স মাত্র ৪০। মৃত্যু হয় আওরঙ্গজেবের আরেক পুত্র বাহাদুর শাহের ।

ইব্রাহিম খান।
পরবর্তী সুবেদার হন ইব্রাহিম খান। সেই সময় ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরের হুগলির অন্তর্গত ছিল বর্ধমান। সেখানকার এক স্বাধীন রাজাকে হত্যার করেন জনৈক পাঠান।তারপরেই বিদ্রোহ ঘোষণা করায় ঢাকার নবাব ইব্রাহিম খান যশোর থেকে তিনহাজার অশ্বারোহী সেনা নিয়ে রওনা দেন হুগলিতে। তাঁর সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করে নেন বিদ্রোহী পাঠান রহিম খান।

বিদ্রোহী পাঠান রহিম খান।
পর্তুগিজ অধীনস্থ হুগলিতে ইব্রাহিম খান পাঠান বিদ্রোহীদের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। এই খবরটি পেয়ে ক্রুদ্ধ হন সম্রাট আওরঙ্গজেব। ইব্রাহিম খানকে পদচ্যুত করেন। ইব্রাহিমের বিকল্প ঢাকার শাসক হন আজম- উস -শান। (চলবে)
