*

দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক: কলকাতার মেটিয়াবুরুজ। বলা হয় ছোট লখনউ।১৮৫৬ তে আওধের নবাব ওয়াজেদ আলী শাহকে বন্দী করে কলকাতায় মেটিয়াবুরুজে নিয়ে এসে গৃহবন্দী করে রাখে। পেনশন দেওয়া হতো তাঁকে। মেটিয়াবুরুজ শব্দের অর্থ মাটির দুর্গ বা গম্বুজ। বাংলায় তিনি নিয়ে আসেন প্রিয় বাবুর্চির, ঘুড়ি প্রস্তুতকারী, নৃত্যশিল্পী, বাদক এবং বহু কারিগরকে। এসেছিল বিরিয়ানি। এসেছিলেন দর্জি।কালের স্রোতে এখানেই গড়ে ওঠে জামাকাপড়ের বড় বাজার। শনিবার রবিবার রাত তিনটে থেকে বসের জামাকাপড়ের ব্যবসা। মান ও দামে এখনকার বাজার এশিয়ার বৃহত্তম।
২২ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই বিশ্ববাংলা মেলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চতুর্থ কলকাতা মেটিয়াবুরুজ গার্মেন্টস ফেয়ার ২০২৬। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, স্বপন দাশগুপ্ত, তাপস রায়, অর্জুন সিং, নিশীথ প্রামাণিক, ডা: ইন্দ্রনীল খান, উমেশ রাই, বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। ছিলেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং ও তাঁর পুত্র


মেলার আয়োজক মেটিয়াবুরুজ বড়তলা গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারাস এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন কলকাতা, মেটিয়াবুরুজ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (সফিকাঠগোলা) এবং দর্জি শিল্প বাঁচাও সমিতি মেটিয়াবুরুজ গাজী পাড়া। যদিও উদ্বোধক হিসেবে আমন্ত্রণপত্রে কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের নাম ছিল।
আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত রাজ্যের মন্ত্রী উমেশ রাই, বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়াকে সম্বর্ধনা জানানো হয়। মেলা কমিটির অভিভাবক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাকেশ সিং।বক্তারা প্রত্যেকেই মেটিয়াবুরুজ বস্ত্র বাজারের ঐতিহ্যের কথায় স্মরণ করে বলেন, সরকার ও ব্যবসায়ীদের যৌথ সহায়তায় আগামীদিনের মেটিয়াবুরুজ আগামীদিনে বিশ্বের সেরা বাজারে হয়ে উঠবে।
