শিরোনাম

বাঙালির ইতিহাস ও বহিরাগত তত্ত্ব

পর্ব:২৫৪

ভাগীরথীর তীরে রাণী ভবানীর প্রাসাদ আজও ইতিহাসের সাক্ষ বহন করছে।

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায় : ভাগীরথীর তীরে সেই চিতা জ্বালানো হ’ল। লোক দেখানো কান্না শুরু করলেন রাণী ভবানী। সবাই জানল আত্মসম্মানের জন্য তারা আত্মহত্যা করেছে। সিরাজের কানে সে খবর পৌঁছাল। বাধ্য হয়ে নিরাশ মনে মুর্শিদাবাদ ফিরে গেলেন তিনি।

অক্ষয়কুমার মৈত্র।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিকদের মতে, রক্ষণশীল হিন্দু ঐতিহাসিকদের সন্তুষ্ট করতে অক্ষয়কুমার মৈত্র রাণী ভবানীর এই কৌশলের কাহিনী নির্মাণ করেন। সত্যিই যদি সিরাজ নারীলোলুপ হতেন তাহলে তাঁর হাতে থেকে কন্যাকে রাণী কিছুতেই কন্যাকে বাঁচাতে পারতেন না। সিরাজের চরিত্রহীনতা নিয়ে হিন্দু ঐতিহাসিকেরা আরও গল্প সংযোজন করেছেন। যেমন, দিল্লি থেকে তৎকালীন একলাখ টাকা দিয়ে ( এখনকার হিসেবে ২২ কোটি টাকা) ফইজুবালা নামে এক সুন্দরী বাইজিকে রক্ষিতা করে সিরাজ মুর্শিদাবাদ নিয়ে আসেন । কিন্তু ফইজুবালা প্রেমে পড়েন এক সৈনিকের।

সিরাজ খবর পেয়ে একটি ইটের দেওয়াল গেঁথে একটি ছোট্ট ঘর বানিয়ে সেখানে বাইজিকে বন্দি করে তখনই।খাদ্য পানীয় দেওয়া হয় না। এভাবে করেই ১৮০ দিন। কৌতূহলী হয়ে সিরাজ দেওয়াল ভেঙ্গে দেখেন পড়ে আছে বাইজিu পচাগলা কঙ্কাল। আনন্দে নেচে ওঠেন সিরাজ। কিন্তু এই কাহিনীর কোন প্রমাণ নেই। (চলবে)

পরবর্তী পর্ব আগামী শনিবার ২৪ অক্টোবর,২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *