শিরোনাম

বেশ্যার বারমাস্যা

পর্ব:২৫০

উনিশ শতকের বাঙালি বাবুদের উপপত্নী রাখার প্রচলন ছিল।

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায় : ২৮৩৫।১৪ মার্চ। সমাচার দর্পণ পত্রিকায় এক শান্তিপুর নিবাসিনী এক পত্রের উল্লেখ করে প্রকাশিত হ’ল সেযুগের বাঙালি বাবুদের বিলাসের কথা। বিশিষ্ট কুলোদ্ভব মহাশয়েরা অনায়াসে বেশ্যালয়ে গমনপূর্বক উপস্ত্রী লইয়া সম্ভোগ করেন তাহাতে কুল নষ্ট হয় না। বরং তাঁহারা মান্য লইয়া ধন্যবাদ পাইতেছেন।

গ্রাম থেকে দরিদ্র নারী পুরুষ ধরে এনে জমিদার ও ইংরেজের লেঠেল দাস ও বেশ্যা নিয়োগ করত।

আঠারো উনিশ শতকের বঙ্গ সমাজে কখনও অর্থলোভে লোকে যুবতী কন্যা বা স্ত্রীকে বিক্রি করত। ধনী ব্যক্তিরা তাদের কিনে উপপত্নীরূপে রাখতেন। দাস ব্যবসায়ীদের ভাড়া করা গুন্ডারা পল্লী অঞ্চলের বা মফস্বল শহরের ছেলেমেয়ে চুরি করে এবং জোর করে বয়স্ক স্ত্রী- পুরুষকে ধরে কলকাতায় বা অন্যান্য শহরে চালান দিত। এইভাবে বিদেশ বিভুঁইয়ে এসে নিরন্ন নারীরা হয় লোকের দাসীবৃত্তি করত নয় বেশ্যাবৃত্তি করে জীবনযাত্রা নির্বাহ করত।

কাশ্মীরের কবি ও ঐতিহাসিকের বর্ণনায় বাঙালি দাস ও বেশ্যার ভারতজোড়া খ্যাতির উল্লেখ আছে।

আঠারো উনিশ শতকের বঙ্গ সমাজে কখনও অর্থলোভে লোকে যুবতী কন্যা বা স্ত্রীকে বিক্রি করত। ধনী ব্যক্তিরা তাদের কিনে উপপত্নীরূপে রাখতেন। দাস ব্যবসায়ীদের ভাড়া করা গুন্ডারা পল্লী অঞ্চলের বা মফস্বল শহরের ছেলেমেয়ে চুরি করে এবং জোর করে বয়স্ক স্ত্রী- পুরুষকে ধরে কলকাতায় বা অন্যান্য শহরে চালান দিত। এইভাবে বিদেশ বিভুঁইয়ে এসে নিরন্ন নারীরা হয় লোকের দাসীবৃত্তি করত নয় বেশ্যাবৃত্তি করে জীবনযাত্রা নির্বাহ করত।

পরবর্তী পর্ব আগামী শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর,২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *