শিরোনাম

বাংলার ইতিহাস ও বহিরাগত তত্ত্ব

পর্ব :২৩০

দুবছরের জন্য বাংলার সুবেদার ছিলেন কিদাই খান।

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায় : শায়েস্তা খাঁ বাংলার সুবেদার হওয়ার আগেই মাত্র দুবছরের জন্য বাংলায় এসেছিলেন কিদাই খান। তাঁর নাম ছিল মির্জা হেদায়েতুল্লাহ । সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে কিদাই খান উপাধি দেন। পূর্ববর্তী শাসক মুকাররাম খানের মৃত্যুর পর ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাংলায় আসেন। জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর পর সম্রাট শাজাহান ১৬৩২ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে বদলি করে বাংলায় নিয়ে আসেন কাশিম খান জুমুনিকে। তাঁর আমলেই পর্তুগিজদের হাত থেকেই হুগলি মোঘলের অধিকারে আসে। এরপর ১৬৩২ থেকে ১৬৩৫ পর্যন্ত বাংলার শাসক বা ছিলেন হরাদাত খান ওরফে আজিম খান।

মহম্মদ আজম শাহ ছিলেন আওরঙ্গজেবের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

ইরাকের মীর মহম্মদ বাকিব ওরফে আজম খানের আমলেই বাংলার পারস্যের বহু মানুষ বাংলায় আসেন। কিন্তু তাঁকে বাংলার সঙ্গে কামরূপ রাজ্যও শাসনও করতে হতো। সেখানে আসামের রাজা প্রতাপ সিংহ বারবারকে আগ্রাসন করায় তাঁকে সরিয়ে নেন আওরঙ্গজেব।আওরঙ্গজেবের পুত্র ছিলেন আজম খান। বাংলা অর্থাৎ ঢাকার দায়িত্ব পান মুর্শিদাবাদের নবাব।

অসমের রাজা প্রতাপ সিংহ।

১৬৯৭ সালে বাংলার শাসক হয়ে আসেন আওরঙ্গজেবের নাতি আজিম- উস – শান।তিনি ছিলেন মোঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী অমৃতা বাই-এর দ্বিতীয় পুত্র।১৭১২ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যু পর্যন্ত ছিলেন বাংলার শাসক। আজম- উস- শান একদিকে যেমন ইংরেজকে ১৬৯৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম নির্মাণের অনুমতি দেন তেমন চুঁচড়ায় ওলান্দাজদের গুস্তাভাস দুর্গ ও ফরাসিদের চন্দ্রনগর ( চন্দননগর)- এ অরলিন্স দুর্গ নির্মাণের অনুমতি দেন। (চলবে)

পরবর্তী পর্ব আগামী রবিবার ২৬ জুলাই,২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *