
***
দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক: ১৯৯৩ সালে প্রয়াত বিশিষ্ট শিল্পপতি এম পি বিড়লার স্মৃতিতে একটি দ্বিবার্ষিক বিজ্ঞান পুরষ্কার দেওয়া শুরু। দেশের জ্যোতির্বিজ্ঞান , জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞান, মহাকাশবিজ্ঞান এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলিতে এক মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি ২০২৫ পেলেন বিখ্যাত জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক যশোবন্ত গুপ্তা। বিজ্ঞানী গুপ্তা বর্তমানr ন্যাশনাল সেন্টার ফর রেডিও অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ , পুনের অধ্যাপনায় নিযুক্ত ও কেন্দ্রের পরিচালক। বিজ্ঞানীর জ্যোতির্বিজ্ঞানে অগ্রণী গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাঁকে এই পুরষ্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
এম পি বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের উদ্যোগে যে প্ল্যানেটোরিয়াম কলকাতায় আছে সেখানেই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী , শিক্ষাবিদ , বৈজ্ঞানিক মহলের সদস্যদের উপস্থিতিতে এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

সংস্থার অবৈতনিক সচিব এস কে দাগা বলেন, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের যৌথ অবদানকে ইতিবাচক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অধ্যাপক গুপ্তার অবদান এই পুরষ্কারকে গৌরবান্বিত করেছে। প্ল্যানেটোরিয়ামের কিউরেটর এস দত্ত বলেন অধ্যাপক গুপ্তার গবেষণা শুধু বিজ্ঞানে এক নতুন উন্মেষ ঘটিয়েছে শুধু নয়, মানবসমাজের জন্য এক ঐতিহাসিক পথ উদ্ভাসিত হয়েছে।
পুরষ্কারপ্রাপ্তিতে গর্বিত অধ্যাপক গুপ্তা বলেন, এম পি বিড়লা স্মৃতি পুরষ্কার পেয়ে আমি সম্মানিত। এধরনের স্বীকৃতি বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে বাড়তি উৎসাহ জোগায়। অধ্যাপক পাওয়ার প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তাঁর গবেষণার বিষয়টি উপস্থিত আমন্ত্রিতদের কাছে নিবেদন করেন। দিগদর্শনের পক্ষে অধ্যাপক গুপ্তার কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল গত বাজেটের তুলনায় চলতি বাজেটে সরকারি খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি। অথচ বেসরকারি উদ্যোগে বরাদ্দ বেড়ে চলেছে। ফলে পি এইচ ডি বা সমমানের শিক্ষায় ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ক্রমশ কমছে। এসবই সরকারি তথ্য। তবু অধ্যাপক মানতে রাজি হলেন না মনে রাখা দরকার বরাদ্দ যা হয় বাস্তবে প্রকৃত ব্যায় কম হচ্ছে। অভিযোগ আর্থিক সীমাবদ্ধতায় ফেলোশিপ বা বৃত্তি মিলছে না।
