বেশ্যার বারমাস্যা

পর্ব :১৭৯

গ্রীসে পুরুষদের সঙ্গে বালক বা গ্রীসের সমকামিতার ছিল ঐতিহ্য।

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায়: স্পার্টার কঠোর বিধির উল্লেখ করে টায়ারের ম্যাক্সিমাস লিখেছেন, স্পার্টান পুরুষদের বালকের প্রেমে পড়া যেন সুন্দর মূর্তির প্রেমে পড়ার মতো। হেরোডাটাস , থুসিডাইডেস, প্লুটার্ক, ডায়োডোরাস, সিকুলাস ও অন্যান্যরাও শিশু যৌনতার বিরুদ্ধে শাস্তি প্রদানের ঘটনার শাস্তি।

গ্রীসে পায়ুকাম ছিল নিষিদ্ধ

লক্ষ করার বিষয় , আদর্শ এক প্রতিষ্ঠানে বালকদের প্রতি প্রেম আর বালকদের প্রতি যৌন আকর্ষণ এবং গ্রীসের সমকামের সঙ্গে গুলিয়ে না ফেলার কথা বলা হয়েছে। গ্রীসে এ ধরণের যৌন আচরণ সহনীয় মাত্রার ছিল এবং কোন অবস্থায়ই ব্যাপকভাবে বিস্তৃত ছিল না। বরং একে গ্রীক সংস্কৃতির রীতিতে পরিণত ছিল না। বালক প্রেমের যে ঘটনাগুলো যৌন সম্পর্কের দিকে গড়াতো, সেগুলোর ক্ষেত্রে আইন দ্বারা শাস্তি প্রয়োগ করা হতো।অথচ গ্রীকের সাধারণ প্রক্রিয়ার যৌনাচারের বিরুদ্ধে ছিল।

জিউস ও গ্যানিমেডেস -এর মধ্যে সমকামমূলকে সম্পর্ক ছিল বলে যেত ধারণা প্রচলিত ছিল এবং যা সমকামীরা তাদের উটের বলে দাবি করে সে সম্পর্কে জেনোফন লিখেছেন, আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই যে, জিউসকে প্রভাবিত করেছিল। তাকে অলিম্পাস পর্যন্ত বহন করে নিতে। তার নাম থেকেই নিশ্চিত হয়ত যায় যে তিনি শারীরিকভাবে নয়ত, বরং মানসিকভাবে আকর্ষণীয় ছিলেন এবং সে কারণে তিনি দেবতাদের মতো সম্মানিত।

সমকাম ও বালক প্রেম সম্পর্কে বিভিন্ন লেখকদের দ্বারা প্রাচীন গ্রীসের চিত্রায়নে প্রতিভাত হয় যে গ্রীস সমকামীদের স্বর্গ ছিল এবং গ্রীকরা প্রকৃতিগতভাবেই তাদের সমলিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট ছিল । এটি লেখকদের কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়।( চলবে)

পরবর্তী পর্ব আগামী শুক্রবার ৯ জানুয়ারি,২০২৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *