পর্ব : ১৮১

সমকামী নারীদের ম্যানিফেস্টো ১৯৭০
সুজিৎ চট্টোপাধ্যায় : ১৯৭০ সালে র্যাডিক্যাল লেসবিয়ানস নামে একটি বহুল আলোচিত লেসবিয়ান গোষ্ঠী তাঁদের বিখ্যাত ম্যানিফেস্টো প্রকাশ করেন , যার নাম ছিল ইওম্যান আইডেন্টিফাইড উওম্যান। এখানে সোচ্চারে হেটেরো- সেক্স্যুয়াল নর্ম থেকে মেয়েদের বেরিয়ে আসার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।,,,,,,

লেসবিয়ান ফেমিনিজম আন্দোলন বিশ্ব দ্রুত বাড়ছে।
প্রসঙ্গ নারী সমকাম একটি পাঠ গ্রন্থে অর্ণব সাহা তাঁর ফুকো ও বাটলার তত্ত্বে দ্য আদার লেসবিয়ানজম ও কুইয়ার নিবন্ধে লিখেছেন, লেসবিয়ান। ফেমিনিজম জৈব মাতৃত্বের বিরোধিতা করে এবং পিতৃতন্ত্রের দ্বারা মহান করে তোলা যেকোনও ধরণের নারীত্ব- সূচক গুণকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার প্রয়াসের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়। পুরুষতান্ত্রিক ভি লোগোসেন্ট্রিসিজম- এর ভিতর লুকিয়ে থাকা যেকোনও বৈষম্যের প্রতিবাদ করে সে।,,,,,,

নারী সমকামিতা ভারতেও বাড়ছে।
লেখক আরও লিখেছেন, এই প্রসঙ্গে কুইয়ার আন্দোলন সম্পর্কেও কথা বলে নেওয়া দরকার। কুইয়ার হল একটি আমব্রেলা টার্ম যার তলায় সমস্ত হেটেরোনরম্যাটিভ আত্মপরিচিতির বাইরে অবস্থানকারীরা আশ্রয় নিতে পারে -গে, লেসবিয়ান, বাই সেক্স্যুয়াল অ্যা -সেক্স্যুয়াল সকলেই ” এই আত্মপরিচিতির ভিতরে আসতে পারে।,,,,, একজন কুইয়ার তাত্ত্বিক জে ড্রেসারের মতে কুইয়ার তত্ত্ব লিঙ্গপরিচিতি এবং জৈব যৌনপরিচিতির চেনা বাইনারিকে ভেঙে চুরমার করে দেয়, লিঙ্গ এবং যৌনতার বৈধ সামাজিক সংযোগের ভিত্তিকে প্রশ্ন করে। (চলবে)
পরবর্তী পর্ব আগামী শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি,২০২৬

