চলাফেরায় সমস্যা ? পিয়ারলেস হসপিটেক্সের উদ্যোগে বইমেলায় থাকবে হুইল চেয়ার

*****

দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক : দুর্গাপুজোর পরে আর যে কারণে বাঙালি উদগ্রীব হয়ে থাকে , সেটা হলো বুক ফেয়ার। আগামী ২২ শে জানুয়ারির থেকে সল্টলেক বইমেলা প্রাঙ্গনে হতে চলেছে আন্তর্জাতিক কলকাতা বুক ফেয়ার। আর্জেন্টিনার বিখ্যাত লেখক গুস্তাভো কাঞ্জভ্রে ও আর্জেন্টিনার ভারতীয় রাষ্ট্রদূত মারিয়ানোর অগাস্টিন কাউসিনোর উপস্থিতিতে উদ্বোধন করবেন যথারীতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। থাকবেন দেশট ও বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা ও রাজ্যের বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রীরা।

এই বছরের উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশকের সংখ্যা প্রায় হাজার। মেলাচলাকালীন ৩০ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে পালিত হবে চির তরুণ।১ ফেব্রুয়ারি পালিত হবে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস। ৯ টি প্রবেশপথের দুটিতে থাকবে আর্জেন্টিনার স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শন। দুটি তোরণ থাকবে প্রয়াত সাহিত্যিক প্রফুল্ল রায় ও গণশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে। একটি তোরণ থাকবে সাহিত্যিক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী স্মরণে। লিটল ম্যাগাজিনের শিবিরের নামকরণ হয়েছে প্রয়াত কবি রাহুল পূরক্যস্থার্ট স্মরণে। প্রয়াত চিত্রশিল্পী ময়ূখ চৌধরী স্মরণে নামকরণ হচ্ছে ছোটদের প্যাভিলিয়ন।

বইমেলা আয়োজকদের অনুরোধে মেট্রো ট্রেন পরিষেবা থাকবে রাত ১০ তত পর্যন্ত।মেলে প্রাঙ্গণেই মিলনের ডিজিটাল টিকিট। মেলা প্রাঙ্গণে প্রতিবারের মত পরিষেবা দেবের স্টেট ব্যাংক। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা দেবে বঙ্গসন্তান ইন্দ্রজিৎ ভট্টাচার্যের মেঘবালা ব্রডব্যান্ড। সংস্থার তরফে কর্ণধার ইন্দ্রজিতের ভট্টাচার্য জানালেন, সমগ্র মেলা ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের ডিজিটাল টিকিট কাউন্টার মেলা প্রাঙ্গনে এবার থাকায় দায়িত্বে অনেক বেড়ে গেলেও আমরা আত্মবিশ্বাসী।

মেলা কর্তৃপক্ষের তরফে সভাপতি সুধাংশু শেখর দে ও সম্পাদক ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায় জানালেন,প্রায় ২০ টি দেশ বইমেলায় অংশ নিচ্ছে। থাকছে বিশেষ লটারিতে বিনামূল্যে বই সংগ্রহের সুযোগ। ভূপেন হাজারিকা ও সলিল চৌধুরীর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গিল্ডের ব্যবস্থাপনায় ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি মেলা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে দি ক্যালকাটা লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল। কিউরেটর মালবিকা ব্যানার্জি বললেন গিল্ডের দুই প্রাণপুরুষ ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় ও শুধাংশু শেখর দে’র সহযোগিতায় ফেস্টিভ্যাল সফল হবে।

ফেস্টিভ্যাল উদ্বোধন করবেন জ্ঞানপীঠ পুরষ্কারপ্রাপ্ত বিশ্ববন্দিত লেখক অমিতাভ ঘোষ। বক্তাদের মধ্যে থাকবেন অমিতাভ ঘোষ , অরুণাভ সিনহা, চন্দ্রিল ভট্টাচার্য, উল্লাসে মল্লিক, শ্রীজাত, শীর্ষেন্দুর মুখোপাধ্যায় , দেবারতি মুখোপাধ্যায়, দেবদত্র পটনায়ক, নিশাত খান প্রমুখ।

প্রবীণ বইপ্রেমী বহু মানুষ চলাফেরার সমস্যার কারণে বা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার ভয়ের বইমেলায় যেতে পারেন না, তাঁদের জন্য সুসংবাদ দিয়েছেন বইমেলার মেডিক্যাল পার্টনার পিয়ারলেস হসপিটেক্স। থাকছে হুইল চেয়ার। থাকছে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা। সুতরাং চারটি বিশেষ ছুটির দিন সহ এবারের বইমেলা আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। বইমেলা শেষ হতেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে আগামী বছরের জন্য।আগামী বছর যে ৫০ তম বর্ষ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *