
****
দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক : বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তর কলকাতার ঐতিহাসি মহাজাতীত সদন মঞ্চ লাল শালুতে মুরে দ্রুত বেঙ্গল প্রাদেশিক ব্যাংকে কর্মচারীর সমিতি।৩১ তম রাজ্যোৎ সম্মেলন উপলক্ষে অফিসে পাড়া থেকে সুসজ্জিত মিছিল নিয়ে সমিতির নেতারার পৌঁছান মহাজাতি সদন মঞ্চে।১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনদিন ব্যাপী এই সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশে যোগ দেন প্রায় এক হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি।অনুষ্ঠানে প্রধানত অতিথিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ আই টি ইউ সির সাধারণ সম্পাদক অমরজিৎ কৌর, এ এয়ার বি ই এর সাধারণ সম্পাদক সি এইচ ভেঙ্কটচলম ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা সদ্য ব্যাংক ধর্মঘটের কারণ ব্যাখ্যা করে আশু সংকটে সম্পর্কে প্রতিরোধের গড়ে তোলার দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলনের কথায় ঘোষণা করলেন। শ্রমিক ও কর্মচারীদের অধিকার সুরক্ষা , সরকারি খাতের ব্যাংক শক্তিশালীকরণ দ্রুত ডিজিটাইজেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা আর্থিক নীতির পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ এছাড়াও সম্মেলন থেকে বেশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ ,চাকরিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাজেন নাগর সাংবাদিকদের জানান,বামপন্থী কর্মীরা আন্দোলনের শেষ অস্ত্র হিসেবে ধর্মঘটকে ব্যবহার করে। কেন্দ্রীয় সরকারের ফ্যাসিস্ট আচরণ শ্রম বিরোধী।শ্রমবিধি কোড সম্পূর্ণ শ্রমিক কর্মচারীবিরোধী।বামপন্থী হিসেবে যা আমরা মেনে নিতে পারি না। বেসরকারিকরণের নামে ব্যাংকগুলি ক্রমশ গ্রাহকবিরোধী সিদ্ধান্ত নেবে। ব্যাংক থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে দিনদিন চার্জ বসাচ্ছে। সুতরাং সব ব্যাংক জাতীয়করণ করতে হবে।কর্পোরেট সেক্টরের ক্ষেত্রে ঋণ মোকুবর , সুদ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। যা দেশের অর্থনীতির জন্য বিপদজনক।
