শিরোনাম

কলকাতা আয়কর ভবনে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস

****

দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের আবহাওয়ায় পালিত হলো ১০৯ তম আন্তর্জাতিক নারী বর্ষ। নারী ক্ষমতায়নের নিরিখে ভারতেও সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পালিত হয় দিনটি।১৯০৮ সালে নিউইয়র্কের নারী পোশাক শ্রমিকদের কাজের ঘণ্টা কমানো ও ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলনের সূত্রপাত।১৯০৯ সালে সোস্যালিস্ট পার্টি অফ আমেরিকার কমিউনিস্ট নেত্রী ক্লারা জেটকিন প্রথম আন্তর্জাতিক স্তরে নারী দিবস পালনের ডাক দেন। এই ঘটনার বহু বছর পর রাষ্ট্রসঙ্ঘ ১৯৭৫ সালের ৮ মার্চ দিনটি নারী দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।
বিশ্বের বহু দেশে দিনটি সরকারি ছুটি থাকে। অনেক দেশে কর্মী মেয়েরা এই ছুটি পান। ভারতে তেমন কোনো স্বীকৃতি নেই।

২০২৫ এর সমীক্ষা অনুযায়ী বিশ্বের প্রতি ১০০ জন নারী পিছু ১০২ জন পুরুষ। কিন্তু দীর্ঘায়ু হয়ত সুবাদে ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি। আমাদের দেশেসংবিধান রচনায় ১৫ জন বিদুষী নারীর অবদান আছে। প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ছাড়াও অর্থমন্ত্রী হিসেবে মহিলারা স্বীকৃতিপেলেও আজও ভারতে সরকারি হিসেবে প্রতিদিন গড়ে আটজন নারী ধর্ষিতা হন। হত্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। বেসরকারি হিসেব কত তার হিসেব কে রাখে। ভারতীয় সংসদে ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণের বিলের নামে গাজর ঝোলানো হলেও কবে কার্যকর হবে স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই। কিন্তু নারী দিবস পালন কতটা ইতিবাচক হচ্ছে তার প্রাসঙ্গিকতা কতটা সে বিষয়টি রহস্যময় প্রশ্নবোধক চিহ্নের অবতারণা করলেও এরাজ্যে নারী দিবস পালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার বিকেলে অভিনেত্রী রাইমা সেনের উপস্থিতিতে কলকাতার আয়কর ভবন পালিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শক্তি সম্মানিত পুরষ্কার। অনুষ্ঠানের সভানেত্রী ছিলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল ও সিকিমের আয়কর বিভাগের প্রধান মুখ্য আধিকারিক সুরভি বর্মা গর্গ। মঞ্চে ছিলেন রাজ্যের মুখ্য আধিকারিক এস্থার লাল রুয়াতকিমি ।

উপস্থিত ছিলেন আয়কর বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা ও আধিকারিক এবং কর্মীরা। অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ব্যক্তিত্বরা নারীর ক্ষমতায়নেরক্ষেত্রে আয়কর বিভাগের মহিলাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। কর্তব্য পালনে কুশলতার জন্য নির্বাসিত ছ’জন মহিলা কর্মীকে শক্তি সম্মান পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়।

অনুষ্ঠানের মুখ্য আকর্ষণ ছিলেন অভিনেত্রী রাইমা সেন। তিনি তাঁর অভিনয় জীবনের ২৬ বছরের অভিজ্ঞ্যতা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে শেয়ার করে বলেন, চলার পথে লক্ষ্য স্থির রাখলে নারী জীবনে সাফল্য পাবেই। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যন্ত্রসঙ্গীতের অনুষ্ঠানে সেতার বাজান মিতা নাগ। তবলায় সঙ্গত করেন উদীয়মান শিল্পী রুদ্রাশীষ রক্ষিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *