শিরোনাম

স্ট্যাম্প জমানোর নস্টালজিক নেশাকে উস্কে দিয়ে ড: ভাস্কর মিত্রের যক্ষ্মা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক গ্রন্থ প্রকাশ

******

দিগদর্শন ওয়েব ডেস্ক: বড়দিন ধর্মীয় উৎসবের ডাকটিকিট ডেনমার্কে সময়ের স্রোতে পাল্টে হলো যক্ষ্মা নিবারণী সচেতনতা ডাকটিকিট। সময়টা ছিল ১৯০৪। ভারতে ১৯৪০ সালে পরিচিত পেল ডাকটিকিট হিসেবে।যায় এখনও প্রকাশ হয়ত তবে প্রকাশ তারিখ গান্ধী জয়ন্তীর দিনটিতে।২ অক্টোবর। বিশিষ্ট প্যাথোলজিস্ট ও মেডিকেল ফিলাটেলিস্ট ড: ভাস্কর মিত্র ছোট থেকেই ডাকটিকিট জমানোর নেশায় আসক্ত। স্কুল টিচার মায়েরসান্নিধ্যে এসে জেনেছিলেন ছোট্ট একটা ডাকটিকিট শুধু ছবি নয় , একটি ইতিহাস। একটি সাংস্কৃতিক পরিচয়। ফলে শুধু নান্দনিক কারণে নয় একটি ডাক টিকিটে থাকে মানব সভ্যতার সাক্ষ্য।সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত তাঁর বেণু ও বীণা গ্রন্থে একটি কবিতা লেখেন ডাকটিকিট।তিনি লিখেছিলেন ডাকটিকিটের রাশি,আমির ভালবাসত, যদি তা পুরানো হয়ত ব্যবহার করা, ছেঁড়া কাটা , ছাপমারা স্বদেশী, বিদেশি তা সবে পরশি যেন হাতে পাই ধরা!,,,,

ডাকটিকিটের প্রীতি আর যক্ষা প্রতিরোধে সচেতন ডাকটিকিটের ভূমিকার ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি জনসচেতনতার একটি পদক্ষেপ হিসেবে একটি বই প্রকাশ করলেন ড: ভাস্কর মিত্র কলকাতা প্রেসক্লাবে শনিবার বিকেলে। বইটির নাম ফ্রম সিলস্ টু সারভাইকাল: একোজ অব দ্য আনস্পোকেন ক্রুসেড এগেইনস্ট টিবি ইন ইন্ডিয়া। সুদৃশ্য বইটিতে ভারতে টিবি সচেতনতার এক ধারাবাহিক পদক্ষেপের ইতিহাস তুলে ধরেছেন দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতা ও গবেষণার ফসল হিসেবে।

ওয়েস্ট বেঙ্গল টিউবার কিউলোসিস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড: রঞ্জন দাস বলেন, এই গবেষণালব্ধ গ্রন্থটি শুধুমাত্র ডাক সিলের একটি সংগ্রহ নয়, বরং যক্ষ্মার বিরুদ্ধে ভারতের কয়েকদশকব্যাপী অঙ্গীকারের একটি স্মারক। তিনি আরও বলেন,১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বেঙ্গল টিউবার কিউলোসিস অ্যাসোসিয়েশন প্রান্তিক ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর টিবি নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিষেবায় অগ্রণী ভূমিকা পালনকরে আসছে। লেখক এই বইটির বিক্রয়লব্ধ অর্থ অ্যাসোসিয়েশনের তহবিলে জমা করার অঙ্গীকার করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *